ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

জাহিদ হাসান অসুস্থ, শুটিং বন্ধ

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • ৭৬২ পঠিত

ঈদে বাড়িতে সময় কাটবে মানুষের। তাদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে নাটক ও টেলিছবি নির্মাণ করছেন নির্মাতারা। অভিনয়শিল্পীরাও ঘরে বসে থাকেননি। শিল্পীদের সেই দলে ছিলেন অভিনেতা জাহিদ হাসানও। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুটিং সেট ছেড়েছেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে স্বেচ্ছা ঘরবন্দী হয়েছেন। ঈদের সব শুটিং আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন জাহিদ হাসান।

সম্প্রতি শুটিংয়ের সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন জাহিদ হাসান। রাতে বাসায় ফিরলে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা দেখা দেয়। করোনার উপসর্গ থাকায় কিছুটা ঘাবড়েও যান তিনি। তবে করোনা পরীক্ষায় তাঁর ফল নেগেটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শে এখন তিনি বাসায় অবস্থান করছেন। শারীরিক অসুস্থতা ও শুটিং সেটের পরিবেশের কারণে ১১ জুলাই থেকে ঈদের সব কাজ বাতিল করেছেন তিনি।

করোনার প্রকোপ বাড়লে শুটিং স্থগিত করা হয়। পরে ১ জুন শুটিং শুরু করার অনুমতি আসে। তারপরও বেশ কিছুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিয়ম মেনে শুটিংয়ে ফেরেন এই তারকা, ব্যস্ত হয়ে পড়েন ঈদের কাজ নিয়ে। শিডিউল দেওয়া ছিল ঈদের আগপর্যন্ত। সেসব শিডিউল বাতিল করায় অনেকেরই মন খারাপ হয়েছে, জানান জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘এ মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত আমার শিডিউল দেওয়া ছিল। অসুস্থতার কারণে আপাতত সবাইকে জানিয়ে দিয়েছি, কাজ করতে পারব না। এ জন্য কয়েকজন নির্মাতা এবং দুই–তিনটা চ্যানেল কর্তৃপক্ষ খুবই মন খারাপ করেছে। তারা ভাবছে আমি ইচ্ছা করেই কাজ করতে চাইছি না। কিন্তু আমার তো কিছু করার নেই। আমি যখন কাজ শুরু করি, তখন অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিল। আমি মানসিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করে সবার স্বার্থে কাজ করেছি। এখন মনের ওপর জোর খাটিয়ে কাজে ফিরতে পারি না। আমার কাছে তো আমার জীবনটা সবার আগে।’

একটি ঈদের নাটকের দৃশ্যে জাহিদ হাসান। ছবি: সংগৃহীতশুটিং সেটগুলোর পরিবেশ নিয়ে বিরূপ অভিজ্ঞতার কথা জানান জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে শুটিংয়ের পরিবেশ ভালোই ছিল। এখন অনেকেই শুটিংয়ে করোনা নিয়ে সিরিয়াস না। তাঁদের মধ্যে গা–ছাড়া ভাব। দু–এক দিন শুটিংয়ের পর থেকেই তাঁরা মাস্ক ব্যবহার, স্যানিটাইজিং করা, দূরত্ব বজায় রাখা যেন ভুলে গেলেন। এই অবস্থায় শুটিংয়ে মন টানছে না। শরীর ও এই পরিবেশ দেখে সিদ্ধান্ত নিই ঈদের আগে আর শুটিং করব না।’ ঈদে বেশ কয়েকটি একক ও ধারাবাহিক নাটকে দেখা যাবে তাঁকে।

Tag :
জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

জাহিদ হাসান অসুস্থ, শুটিং বন্ধ

প্রকাশিত : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

ঈদে বাড়িতে সময় কাটবে মানুষের। তাদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে নাটক ও টেলিছবি নির্মাণ করছেন নির্মাতারা। অভিনয়শিল্পীরাও ঘরে বসে থাকেননি। শিল্পীদের সেই দলে ছিলেন অভিনেতা জাহিদ হাসানও। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুটিং সেট ছেড়েছেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে স্বেচ্ছা ঘরবন্দী হয়েছেন। ঈদের সব শুটিং আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন জাহিদ হাসান।

সম্প্রতি শুটিংয়ের সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন জাহিদ হাসান। রাতে বাসায় ফিরলে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা দেখা দেয়। করোনার উপসর্গ থাকায় কিছুটা ঘাবড়েও যান তিনি। তবে করোনা পরীক্ষায় তাঁর ফল নেগেটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শে এখন তিনি বাসায় অবস্থান করছেন। শারীরিক অসুস্থতা ও শুটিং সেটের পরিবেশের কারণে ১১ জুলাই থেকে ঈদের সব কাজ বাতিল করেছেন তিনি।

করোনার প্রকোপ বাড়লে শুটিং স্থগিত করা হয়। পরে ১ জুন শুটিং শুরু করার অনুমতি আসে। তারপরও বেশ কিছুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিয়ম মেনে শুটিংয়ে ফেরেন এই তারকা, ব্যস্ত হয়ে পড়েন ঈদের কাজ নিয়ে। শিডিউল দেওয়া ছিল ঈদের আগপর্যন্ত। সেসব শিডিউল বাতিল করায় অনেকেরই মন খারাপ হয়েছে, জানান জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘এ মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত আমার শিডিউল দেওয়া ছিল। অসুস্থতার কারণে আপাতত সবাইকে জানিয়ে দিয়েছি, কাজ করতে পারব না। এ জন্য কয়েকজন নির্মাতা এবং দুই–তিনটা চ্যানেল কর্তৃপক্ষ খুবই মন খারাপ করেছে। তারা ভাবছে আমি ইচ্ছা করেই কাজ করতে চাইছি না। কিন্তু আমার তো কিছু করার নেই। আমি যখন কাজ শুরু করি, তখন অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিল। আমি মানসিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করে সবার স্বার্থে কাজ করেছি। এখন মনের ওপর জোর খাটিয়ে কাজে ফিরতে পারি না। আমার কাছে তো আমার জীবনটা সবার আগে।’

একটি ঈদের নাটকের দৃশ্যে জাহিদ হাসান। ছবি: সংগৃহীতশুটিং সেটগুলোর পরিবেশ নিয়ে বিরূপ অভিজ্ঞতার কথা জানান জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে শুটিংয়ের পরিবেশ ভালোই ছিল। এখন অনেকেই শুটিংয়ে করোনা নিয়ে সিরিয়াস না। তাঁদের মধ্যে গা–ছাড়া ভাব। দু–এক দিন শুটিংয়ের পর থেকেই তাঁরা মাস্ক ব্যবহার, স্যানিটাইজিং করা, দূরত্ব বজায় রাখা যেন ভুলে গেলেন। এই অবস্থায় শুটিংয়ে মন টানছে না। শরীর ও এই পরিবেশ দেখে সিদ্ধান্ত নিই ঈদের আগে আর শুটিং করব না।’ ঈদে বেশ কয়েকটি একক ও ধারাবাহিক নাটকে দেখা যাবে তাঁকে।