ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

দরকার হলে নিজের পদক দিয়ে দেবেন ক্লপ

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০
  • ৭৫১ পঠিত
৩০ বছর পর লিগ জিতেছে লিভারপুল। পরম আরাধ্য এই শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি যেন সবাই পায়, সে ব্যাপারে বদ্ধপরিকর কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ

৩০ বছর আগের একটা ঘটনায় চোখ ফেরানো যাক।

ফলে যুগে যুগে রনি রোজেনদালের ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে অনেক তারকাকে। গ্যারি নেভিল (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ১৯৯৩-৯৪), নেমানিয়া মাতিচ (চেলসি, ২০০৯-১০), ফেদেরিকো মাচেদা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ২০০৮-০৯), হোসে বসিংগা (চেলসি, ২০০৯-১০), মোহাম্মদ সালাহ (চেলসি, ২০১৪-১৫) প্রমুখ।

এ নিয়ে সমালোচনাও হয় অনেক। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ এই সমালোচনার হাত থেকে বাঁচতে যদিও অনানুষ্ঠানিকভাবে একটা নিয়ম চালু করেছে। মৌসুম শেষে বিজয়ী দলকে তাঁরা মোট ৪০টি পদক দিয়ে দেয়। এখন বিজয়ী দল কাকে পদক দেবে, সেটা তাদের ব্যাপার। তবুও দেখা যায়, ৪০টি পদক সমানভাগে ভাগ করতে গিয়ে কে কয়টা ম্যাচ খেলল, সেটার দিকেই লক্ষ রাখে দলগুলো। আর এই নিয়মটাই পছন্দ হচ্ছে না এবারের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের।

দল ৩০ বছর পর পরম আরাধ্য লিগ জিতেছে, এই লিগ জয়ের পথে যাঁদের সামান্যতমও অবদান রয়েছে, তাঁদেরকেও পুরস্কৃত করতে চান ক্লপ। সবাই যেন অন্তত জয়ের পদক পান, সেটা নিশ্চিত করতে চান ক্লপ, ‘আমি জানি না এসব নিয়ম কে বানায় আসলে। কেউ যদি একটা ম্যাচও খেলে, তাও তো তাঁকে পদক দেওয়া উচিত। লোকজন যদি এখন না বোঝে, একটা চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ক্ষেত্রে গোটা স্কোয়াডের ভূমিকা কত বেশি, তাহলে তো তাঁদের এভাবে বোঝানো যায় না সত্যি বলতে। আপনি যদি শিরোপাজয়ী দলের দ্বিতীয় গোলরক্ষক হন এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম ম্যাচ খেলেন, তাও আপনার পদক পাওয়া উচিত। সারা বছরজুড়ে আপনি যদি দলের সঙ্গে পঞ্চাশ লাখবার অনুশীলন করেন তাও আপনার পাওয়া উচিত। অনুশীলন না করলে শিরোপা জেতা যায় না। কেউ একজন বলে দিল পদক পেতে পাঁচটা ম্যাচ খেলতে হবে, এটা কোনো কথা?’

নিকো উইলিয়ামস, কার্টিস জোন্স, হার্ভি এলিয়টের মতো তরুণ তারকারা দুটি করে ম্যাচ খেলেছেন। ফলে এখনো পদক পাওয়ার যোগ্য নন তাঁরা। এমন পরিস্থিতি যাতে না হয় সে ক্ষেত্রে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন ক্লপ। দরকার হলে নিজের পদক দিয়ে দেবেন, ‘১০০% নিশ্চিত থাকুন আমার ছেলেরা সবাই পদক পাবে। দরকার হলে আমি আমারটা দিয়ে দেব ওদের। যদিও এটা নিয়ম না। প্রিমিয়ার লিগের উচিত এই নিয়মটা নিয়ে আরেকটু চিন্তাভাবনা করা।’

৭ ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে লিভারপুল। এখনো হাতে আছে ৬ ম্যাচ। ক্লপ চাইলেই পাঁচের চেয়ে কম ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের এসব ম্যাচে সুযোগ দিয়ে দিয়ে পদক পাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারেন যদিও!

Tag :
জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

দরকার হলে নিজের পদক দিয়ে দেবেন ক্লপ

প্রকাশিত : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০
৩০ বছর পর লিগ জিতেছে লিভারপুল। পরম আরাধ্য এই শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি যেন সবাই পায়, সে ব্যাপারে বদ্ধপরিকর কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ

৩০ বছর আগের একটা ঘটনায় চোখ ফেরানো যাক।

ফলে যুগে যুগে রনি রোজেনদালের ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে অনেক তারকাকে। গ্যারি নেভিল (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ১৯৯৩-৯৪), নেমানিয়া মাতিচ (চেলসি, ২০০৯-১০), ফেদেরিকো মাচেদা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ২০০৮-০৯), হোসে বসিংগা (চেলসি, ২০০৯-১০), মোহাম্মদ সালাহ (চেলসি, ২০১৪-১৫) প্রমুখ।

এ নিয়ে সমালোচনাও হয় অনেক। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ এই সমালোচনার হাত থেকে বাঁচতে যদিও অনানুষ্ঠানিকভাবে একটা নিয়ম চালু করেছে। মৌসুম শেষে বিজয়ী দলকে তাঁরা মোট ৪০টি পদক দিয়ে দেয়। এখন বিজয়ী দল কাকে পদক দেবে, সেটা তাদের ব্যাপার। তবুও দেখা যায়, ৪০টি পদক সমানভাগে ভাগ করতে গিয়ে কে কয়টা ম্যাচ খেলল, সেটার দিকেই লক্ষ রাখে দলগুলো। আর এই নিয়মটাই পছন্দ হচ্ছে না এবারের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের।

দল ৩০ বছর পর পরম আরাধ্য লিগ জিতেছে, এই লিগ জয়ের পথে যাঁদের সামান্যতমও অবদান রয়েছে, তাঁদেরকেও পুরস্কৃত করতে চান ক্লপ। সবাই যেন অন্তত জয়ের পদক পান, সেটা নিশ্চিত করতে চান ক্লপ, ‘আমি জানি না এসব নিয়ম কে বানায় আসলে। কেউ যদি একটা ম্যাচও খেলে, তাও তো তাঁকে পদক দেওয়া উচিত। লোকজন যদি এখন না বোঝে, একটা চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ক্ষেত্রে গোটা স্কোয়াডের ভূমিকা কত বেশি, তাহলে তো তাঁদের এভাবে বোঝানো যায় না সত্যি বলতে। আপনি যদি শিরোপাজয়ী দলের দ্বিতীয় গোলরক্ষক হন এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম ম্যাচ খেলেন, তাও আপনার পদক পাওয়া উচিত। সারা বছরজুড়ে আপনি যদি দলের সঙ্গে পঞ্চাশ লাখবার অনুশীলন করেন তাও আপনার পাওয়া উচিত। অনুশীলন না করলে শিরোপা জেতা যায় না। কেউ একজন বলে দিল পদক পেতে পাঁচটা ম্যাচ খেলতে হবে, এটা কোনো কথা?’

নিকো উইলিয়ামস, কার্টিস জোন্স, হার্ভি এলিয়টের মতো তরুণ তারকারা দুটি করে ম্যাচ খেলেছেন। ফলে এখনো পদক পাওয়ার যোগ্য নন তাঁরা। এমন পরিস্থিতি যাতে না হয় সে ক্ষেত্রে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন ক্লপ। দরকার হলে নিজের পদক দিয়ে দেবেন, ‘১০০% নিশ্চিত থাকুন আমার ছেলেরা সবাই পদক পাবে। দরকার হলে আমি আমারটা দিয়ে দেব ওদের। যদিও এটা নিয়ম না। প্রিমিয়ার লিগের উচিত এই নিয়মটা নিয়ে আরেকটু চিন্তাভাবনা করা।’

৭ ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে লিভারপুল। এখনো হাতে আছে ৬ ম্যাচ। ক্লপ চাইলেই পাঁচের চেয়ে কম ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের এসব ম্যাচে সুযোগ দিয়ে দিয়ে পদক পাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারেন যদিও!