নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় শিল্পী আক্তার (২৬) নামে এক পোশাককর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত ১১ টার দিকে শিল্পী আক্তারের শ্বশুরবাড়ি সত্যভান্দী এলাকার ভূঁইয়া বাড়ির পেছনের একটি শৌচাগারের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছে।
শিল্পী আক্তার সত্যভান্দী এলাকার মৃত সুমন মিয়ার স্ত্রী। দুই বছর আগে তাঁর স্বামীও হত্যার শিকার হন। স্বামীর মৃত্যুর কারণে কর্মস্থল থেকে পাওয়া ক্ষতিপূরণের ১০ লাখ টাকা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন শিল্পীকে নির্যাতন করতেন বলে দাবি করেছে শিল্পীর পরিবার। তাঁর দুই শিশু সন্তানকেও তাঁর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
শিল্পীর মা বলেন, অনেক নিষেধ করার পর সন্তানদের টানে ছুটে যেতেন তাঁর মেয়ে। কালও গিয়েছিলেন। পরে রাত ১১ টার দিকে পুলিশ তাঁদের ফোন করে জানায়, শিল্পীর লাশ শ্বশুরবাড়ির কাছে একটি বাড়ির পেছন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) শওকত হোসেন। প্রথম আলেকে তিনি বলেন, নিহত নারীর গলায় আঙ্গুলের ছাপ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গতকাল রাতের কোনো এক সময় গলায় ওড়না বা অন্য কোনো কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।