ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

পশ্চিমবঙ্গে ফেরা মৌসুমি শ্রমিক নিয়ে করোনা আতঙ্ক

  • ফাহিম হাসান
  • প্রকাশিত : ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০
  • ১০৮৩ পঠিত

ভারতে করোনা–সংক্রমিত এলাকা মহারাষ্ট্র, গুজরাট, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক থেকে মৌসুমি শ্রমিকেরা পশ্চিমবঙ্গে ফিরছেন। তাঁদের নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ও সাধারণ মানুষ। এসব শ্রমিক থেকে করোনা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধে ও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে বিশেষ ট্রেনে বিভিন্ন রাজ্যে আটকা মৌসুমি শ্রমিকদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয় । পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুরোধ জানায় ১০৫টি বিশেষ ট্রেনের। সেই অনুরোধ রক্ষা করে ভারতীয় রেল বিভিন্ন রাজ্য থেকে শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে।

মৌসুমি শ্রমিকদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনায় শনাক্ত হয়েছে ৩৪৪ জন। মৃত্যু ৬ জনের। এই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে করোনায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২৩ জন। এর সঙ্গে রয়েছে আরও ৭২ জন। যাঁরা অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে করোনার উপসর্গে মারা গেছেন।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এখন পর্যন্ত আড়াই থেকে ৩ লাখ মানুষ অন্য রাজ্য থেকে ফিরে এসেছে। আরও বহু মানুষ ফিরে আসার অপেক্ষায়। এভাবে যদি মহারাষ্ট্র, গুজরাট, দিল্লিসহ সর্বাধিক আক্রান্ত রাজ্য থেকে শ্রমিকেরা আসে, তাহলে এই রাজ্যের পরিস্থিতি মারাত্মক হবে। বেড়ে যাবে সংক্রমণ।

মমতা আরও বলেছেন, মৌসুমি শ্রমিক ফিরে আসার পর পশ্চিমবঙ্গে করোনা–সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। ১৪টি জেলায় ছড়িয়ে ছিল কনটেনমেন্ট জোন। এখন ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ১৫ মে যেখানে পশ্চিমবঙ্গে ৫৫৭টি কনটেনমেন্ট জোন ছিল, সেখানে তা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৭৬টি।

জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

পশ্চিমবঙ্গে ফেরা মৌসুমি শ্রমিক নিয়ে করোনা আতঙ্ক

প্রকাশিত : ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

ভারতে করোনা–সংক্রমিত এলাকা মহারাষ্ট্র, গুজরাট, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক থেকে মৌসুমি শ্রমিকেরা পশ্চিমবঙ্গে ফিরছেন। তাঁদের নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ও সাধারণ মানুষ। এসব শ্রমিক থেকে করোনা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধে ও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে বিশেষ ট্রেনে বিভিন্ন রাজ্যে আটকা মৌসুমি শ্রমিকদের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয় । পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুরোধ জানায় ১০৫টি বিশেষ ট্রেনের। সেই অনুরোধ রক্ষা করে ভারতীয় রেল বিভিন্ন রাজ্য থেকে শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে।

মৌসুমি শ্রমিকদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনায় শনাক্ত হয়েছে ৩৪৪ জন। মৃত্যু ৬ জনের। এই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে করোনায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২৩ জন। এর সঙ্গে রয়েছে আরও ৭২ জন। যাঁরা অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে করোনার উপসর্গে মারা গেছেন।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এখন পর্যন্ত আড়াই থেকে ৩ লাখ মানুষ অন্য রাজ্য থেকে ফিরে এসেছে। আরও বহু মানুষ ফিরে আসার অপেক্ষায়। এভাবে যদি মহারাষ্ট্র, গুজরাট, দিল্লিসহ সর্বাধিক আক্রান্ত রাজ্য থেকে শ্রমিকেরা আসে, তাহলে এই রাজ্যের পরিস্থিতি মারাত্মক হবে। বেড়ে যাবে সংক্রমণ।

মমতা আরও বলেছেন, মৌসুমি শ্রমিক ফিরে আসার পর পশ্চিমবঙ্গে করোনা–সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। ১৪টি জেলায় ছড়িয়ে ছিল কনটেনমেন্ট জোন। এখন ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ১৫ মে যেখানে পশ্চিমবঙ্গে ৫৫৭টি কনটেনমেন্ট জোন ছিল, সেখানে তা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৭৬টি।