ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

বাসায় মাস্ক পরলে করোনা সংক্রমণ কমে

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০
  • ৮০৫ পঠিত
বাসাবাড়িতে মাস্ক পরলে ৭৯ শতাংশ করোনা সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো সম্ভব বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ল। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাইরে গেলে তো বটেই, বাড়িতেও মাস্ক পরা ভালো। এতে করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব। তাই গবেষকেরা বাড়িতেও মাস্ক পরে থাকার উপদেশ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল গ্লোবাল হেলথ-এ গত বৃহস্পতিবার গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাসাবাড়িতে মাস্ক পরলে ৭৯ শতাংশ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো সম্ভব। তবে প্রথম কোনো সংক্রমিত ব্যক্তির উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যরা মাস্ক পরা শুরু করলেই কেবল এই ফল পাওয়া যাবে। জীবাণুনাশক দিয়ে বারবার ঘর পরিষ্কার করলে প্রায় সমান ফল পাওয়া যাবে। এই উপায় মানলে সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো যাবে ৭৭ শতাংশ।

গবেষণাটি বলছে, সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। তবে পূর্বসতর্কতা (ওষুধ নেওয়া ছাড়া) যেমন বাড়িতে মাস্ক ব্যবহার, জীবাণুনাশক দিয়ে ঘর পরিষ্কার ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চললে সংক্রমিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

গত বছর চীনের উহান শহর থেকে করোনার সংক্রমণের সূত্রপাত। এরপর ধীরে ধীরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। গত ফেব্রুয়ারিতে চীনের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ উই জুনিইউ জানান, এক হাজারের বেশি গুচ্ছ সংক্রমণের ঘটনার ওপর গবেষণা করা হয়। দেখা যায়, ৮৩ শতাংশই ঘটেছে পরিবারের মাধ্যমে। সুপার মার্কেট বা বিদ্যালয় থেকে ঘটেনি।

নতুন গবেষণার জন্য গবেষকেরা চীনের বেইজিংয়ের ১২৪ পরিবারের ৪৬০ জনের সঙ্গে কথা বলেন, যাঁরা সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ওপর প্রশ্ন করা হয়। ১২৪টির মধ্যে ৪১টি পরিবারে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য সদস্যরা সংক্রমিত হন। যেসব পরিবারের সদস্যরা বারবার জীবাণুনাশক দিয়ে ঘর পরিষ্কার করেছিলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি ছিল খুব কম।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের স্কুল অব হাইজিন স্কুলের অধ্যাপক স্যালি ব্লোমফ্লিড বলেন, এই সময়ের জন্য গবেষণাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। লকডাউন শিথিল হচ্ছে। মানুষ বাইরে যাচ্ছেন। এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজে দেবে গবেষণাটি।

জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

বাসায় মাস্ক পরলে করোনা সংক্রমণ কমে

প্রকাশিত : ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০
বাসাবাড়িতে মাস্ক পরলে ৭৯ শতাংশ করোনা সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো সম্ভব বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ল। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাইরে গেলে তো বটেই, বাড়িতেও মাস্ক পরা ভালো। এতে করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব। তাই গবেষকেরা বাড়িতেও মাস্ক পরে থাকার উপদেশ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল গ্লোবাল হেলথ-এ গত বৃহস্পতিবার গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাসাবাড়িতে মাস্ক পরলে ৭৯ শতাংশ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো সম্ভব। তবে প্রথম কোনো সংক্রমিত ব্যক্তির উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যরা মাস্ক পরা শুরু করলেই কেবল এই ফল পাওয়া যাবে। জীবাণুনাশক দিয়ে বারবার ঘর পরিষ্কার করলে প্রায় সমান ফল পাওয়া যাবে। এই উপায় মানলে সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকানো যাবে ৭৭ শতাংশ।

গবেষণাটি বলছে, সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। তবে পূর্বসতর্কতা (ওষুধ নেওয়া ছাড়া) যেমন বাড়িতে মাস্ক ব্যবহার, জীবাণুনাশক দিয়ে ঘর পরিষ্কার ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চললে সংক্রমিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

গত বছর চীনের উহান শহর থেকে করোনার সংক্রমণের সূত্রপাত। এরপর ধীরে ধীরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। গত ফেব্রুয়ারিতে চীনের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ উই জুনিইউ জানান, এক হাজারের বেশি গুচ্ছ সংক্রমণের ঘটনার ওপর গবেষণা করা হয়। দেখা যায়, ৮৩ শতাংশই ঘটেছে পরিবারের মাধ্যমে। সুপার মার্কেট বা বিদ্যালয় থেকে ঘটেনি।

নতুন গবেষণার জন্য গবেষকেরা চীনের বেইজিংয়ের ১২৪ পরিবারের ৪৬০ জনের সঙ্গে কথা বলেন, যাঁরা সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ওপর প্রশ্ন করা হয়। ১২৪টির মধ্যে ৪১টি পরিবারে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য সদস্যরা সংক্রমিত হন। যেসব পরিবারের সদস্যরা বারবার জীবাণুনাশক দিয়ে ঘর পরিষ্কার করেছিলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি ছিল খুব কম।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের স্কুল অব হাইজিন স্কুলের অধ্যাপক স্যালি ব্লোমফ্লিড বলেন, এই সময়ের জন্য গবেষণাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। লকডাউন শিথিল হচ্ছে। মানুষ বাইরে যাচ্ছেন। এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজে দেবে গবেষণাটি।