বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে শনিবার জাতিসংঘের প্রকাশিত বৈশ্বিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা দাঁড়াবে সাড়ে আটশো কোটিতে। জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা ৭৭০ কোটি।
বিশ্বে মোট জনসংখ্যা একশো কোটি হতে কয়েক হাজার বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু এখন তা দ্রুতই বাড়ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের মোট জনসংখ্যা হবে ৯৭০ কোটি এবং ২১০০ সালে তা এক হাজার ৯০ কোটিতে গিয়ে ঠেকবে।
এর নেপথ্যে প্রজননকালীন সময়ে মৃত্যুর হার হ্রাস, প্রজনন হার বৃদ্ধি, নগরায়ন এবং বিস্তৃত পরিসরে অভিবাসীর মতো বিষয়গুলোকে কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে। নিকট অতীতের চেয়ে এখন মানুষের প্রজনন হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মানুষের গড় আয়ুও বেড়েছে।
জাতিসংঘের ‘গ্লোবাল পপুলেশন ট্রেন্ড’ অনুযায়ী ১৯৭০ এর দশকের শুরুর দিকে নারীরা গড়ে ৪ দশমিক ৫টি সন্তান জন্ম দিতেন। কিন্তু ২০১৫ সালে এসে এই হার দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫ এ। তবে বৈশ্বিক গড় আয়ু বেড়েছে। ১৯৯০ এর দশকে বিশ্বের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৪ দশমিক ৬ বছর। ২০১৯ সালে তা ৭২ দশমিক ৬ বছর।
এছাড়া নগরায়নের বিষয়টিও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বে মোট জনসংখ্যার মধ্যে গ্রামের চেয়ে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা বেশি ছিল। জাতিসংঘ বলছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬৬ শতাংশ বসত হবে শহরে।