ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণ ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শুক্রবার সন্ধ্যায় র্যাব-১০ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আটকরা হলেন পিরোজপুর জেলার কাইখালী উপজেলার কাঠালীয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. তাইজুল ইসলাম বাপ্পি (২৩), তার দুই সহযোগী শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাকসাহারা গ্রামের মৃত ঈসমাইল সরকারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (২৮) ও ঝালকাঠি জেলার নলসিটি উপজেলার চরকাঠি গ্রামের মো. শাহীন মিয়ার ছেলে মো. একরাম (১৮)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত মাসের ২৯ তারিখে ভিকটিম (২৪) তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহ করে তার বোনের বাড়ি কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় চলে যান। পরবর্তীতে তার স্বামী তাকে নিয়ে আসতে গেলে ভিকটিমের বোন নাগরমহল এলাকায় ইব্রাহিমের ক্লাবে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিচার দিলে ইব্রাহিম তাদের ক্লাবে ডেকে নিয়ে বিষয়টির মীমাংসা করে দেয়।’
‘এরপর ৭ জুলাই বিকেলে তাইজুল ও আরও কয়েকজন ভিকটিমের বাসায় গিয়ে তার স্বামীর নিকট মীমাংসা বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। তখন তার স্বামী টাকা দিতে অস্বীকার করলে একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় ওই আসামীরা ভিকটিমকে পুনরায় ক্লাবে ডেকে নিয়ে মীমাংসা বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এতে ভিকটিম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাইজুল ভিকটিমকে ক্লাবের পাশে অন্ধকার গলিতে নিয়ে ছুড়ি দিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। তখন বাপ্পীর সহযোগী ইব্রাহিম ও একরামসহ আরও অজ্ঞাত দুইজন পাহারায় ছিল।’
‘পরে ৯ জুলাই ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ র্যাব-১০ এ হাজির হয়ে তাইজুল, ইব্রাহিম ও একরামসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল রাতেই ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার নাগরমহল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ওই তিনজনকে আটক করে।’