নওগাঁর ধামইরহাটে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে যায়। মাত্র ৫০ মিটার ড্রেনের জন্য এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সামান্য উদ্যোগ এলাকার হাজারো মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারে।
জানা গেছে, ধামইরহাট পৌরসভায় অন্তর্গত ধামইরহাট মূল বাজার নিমতলীর মোড় থেকে ধামইরহাট হাটখোলায় যাওয়ার অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। রবিবার হাটবারে হাজারো হাটুরে এ রাস্তা ব্যবহার করে থাকে। রাস্তাটি অনেক দিন পর পৌরসভার উদ্যোগে সংস্কার কাজ হয়েছে। কিন্তু রাস্তার পার্শে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য পানিতে তলিয়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষ ও রাস্তার কার্পেটিয়ের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে ধামইরহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনের দুই পার্শের চেয়ে রাস্তাটি নিচু হওয়ার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তার পার্শে ব্যক্তি মালিকানায় মার্কেটগুলো রাস্তা থেকে উচুতে নির্মাণ করায় সহজে পানি রাস্তায় নেমে যায়। এ রাস্তা দিয়ে মসজিদে প্রতিদিন শত শত মুসল্লি ও এলাকাবাসী চলাচল করে। মূল রাস্তা থেকে মসজিদের ড্রেন পর্যন্ত মাত্র ৫০ মিটার ড্রেন নির্মাণ করা হলে এ দুর্ভোগ থেকে এলাকাবাসী রক্ষা পেত।
ধামইরহাট হাট থেকে পৌরসভা ইজারা দিয়ে কোটি টাকা আয় করেন। আর হাটে যাওয়ার এটি অন্যতম প্রধান সড়ক। আর এ সড়কের বেহাল দশা মানুষকে ভোগান্তি ফেলেছ। বর্ষা মওসুমের আগে এ ড্রেন নির্মাণ করা না হলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। ধামইরহাট বাজারের পাইকারি মুদি ব্যবসায়ী সামু প্রসাদ সাহা বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর ও মেয়রকে বারংবার বলার পরও অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। ড্রেনের জায়গা না পাওয়ার অজুহাত দেওয়া ছাড়া ভালো কিছু খবর এখনও পর্যন্ত পাইনি। যেন কে শোনে কার কথা।
ধামইরহাট পৌরসভার মেয়র মো. আমিনুর রহমান বলেন, ওই রাস্তাটি আমি পরিদর্শন করেছি। মসজিদের সামনের রাস্তার ড্রেন খুবই জরুরি। তবে ওই রাস্তার দক্ষিণ পার্শে ড্রেন নির্মাণ করার জায়গা পেলে জরুরি ভিত্তিতে ড্রেন নির্মাণ করা হবে। এলাকাবাসী জায়গা ছেড়ে দিলে অচিরে ড্রেন নির্মাণ করে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। জনগণের সেবার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ সবকিছুই করবে।