ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

পশ্চিমবঙ্গে সোমবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান–দোকানপাট খুলছে

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০
  • ১১২৭ পঠিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সোমবার থেকে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, গুরুদুয়ারাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খুলে যাবে। ওই দিন দোকানপাট, চা–বাগান ও পাটকলও খুলছে। ৮ জুন খুলবে সরকারি ও বেসরকারি অফিস।

গতকাল শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘোষণা দেন।

মমতা বলেন, জুন মাস ধরে বন্ধ থাকবে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, কলকাতার নিউমার্কেটসহ পৌরসভার ৪৫টি পৌর বাজার খুলে যাবে। ৮ জুন খুলে যাবে সব সরকারি এবং বেসরকারি অফিস। ৭০ শতাংশ কর্মকর্তা ও কর্মী নিয়ে খুলবে সব দপ্তর।

মমতা বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ১০ জনের বেশি একসঙ্গে ঢুকতে পারবে না। ঢোকার সময় মুখে মাস্ক পরতে হবে। হাত স্যানিটাইজ করতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ ব্যবস্থা করবে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যজুড়ে চালু করেছে দূরপাল্লার সরকারি বাস পরিষেবা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রতিটি বাসে ২০ জনের বেশি যাত্রী নেওয়া চলবে না। ভাড়াও বাড়ানো যাবে না। এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে বেসরকারি বাস, মিনিবাস মালিক সমিতি তাদের বাস–মিনিবাস নামায়নি সড়কে। তাদের দাবি, এত অল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাস চালিয়ে তাদের পক্ষ এত টাকা লোকসান দেওয়া সম্ভব নয়। এর পরই গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বাসের যত আসন রয়েছে সব আসনেই এবার থেকে নিতে পারবে যাত্রী। তবে সব যাত্রীকে মাস্ক পরে উঠতে হবে। আর চালক ও টিকিট কালেক্টরকে পরতে হবে পিপিই।

মমতা জানান, সোমবার থেকে কলকাতা, হাওড়াসহ এই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ফেরি সার্ভিস চালু হবে।

ভারতের চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে কাল রোববার, ৩১ মে। এরপর লকডাউন বাড়ানো হবে কি না, সে সম্পর্কে এখনো ঘোষণা দেয়নি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে অতি সংক্রমিত বা কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে । অন্যান্য জোনে ধাপে ধাপে লকডাউন প্রত্যাহারের পক্ষে রয়েছে রাজ্য সরকার।

জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

পশ্চিমবঙ্গে সোমবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান–দোকানপাট খুলছে

প্রকাশিত : ০৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সোমবার থেকে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, গুরুদুয়ারাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খুলে যাবে। ওই দিন দোকানপাট, চা–বাগান ও পাটকলও খুলছে। ৮ জুন খুলবে সরকারি ও বেসরকারি অফিস।

গতকাল শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘোষণা দেন।

মমতা বলেন, জুন মাস ধরে বন্ধ থাকবে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, কলকাতার নিউমার্কেটসহ পৌরসভার ৪৫টি পৌর বাজার খুলে যাবে। ৮ জুন খুলে যাবে সব সরকারি এবং বেসরকারি অফিস। ৭০ শতাংশ কর্মকর্তা ও কর্মী নিয়ে খুলবে সব দপ্তর।

মমতা বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ১০ জনের বেশি একসঙ্গে ঢুকতে পারবে না। ঢোকার সময় মুখে মাস্ক পরতে হবে। হাত স্যানিটাইজ করতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ ব্যবস্থা করবে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যজুড়ে চালু করেছে দূরপাল্লার সরকারি বাস পরিষেবা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রতিটি বাসে ২০ জনের বেশি যাত্রী নেওয়া চলবে না। ভাড়াও বাড়ানো যাবে না। এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে বেসরকারি বাস, মিনিবাস মালিক সমিতি তাদের বাস–মিনিবাস নামায়নি সড়কে। তাদের দাবি, এত অল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাস চালিয়ে তাদের পক্ষ এত টাকা লোকসান দেওয়া সম্ভব নয়। এর পরই গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বাসের যত আসন রয়েছে সব আসনেই এবার থেকে নিতে পারবে যাত্রী। তবে সব যাত্রীকে মাস্ক পরে উঠতে হবে। আর চালক ও টিকিট কালেক্টরকে পরতে হবে পিপিই।

মমতা জানান, সোমবার থেকে কলকাতা, হাওড়াসহ এই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ফেরি সার্ভিস চালু হবে।

ভারতের চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে কাল রোববার, ৩১ মে। এরপর লকডাউন বাড়ানো হবে কি না, সে সম্পর্কে এখনো ঘোষণা দেয়নি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে অতি সংক্রমিত বা কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে । অন্যান্য জোনে ধাপে ধাপে লকডাউন প্রত্যাহারের পক্ষে রয়েছে রাজ্য সরকার।