ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

করোনায় সরকারের সমন্বয়হীনতায় প্রাণ গেছে অনেকের : ড. কামাল

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০
  • ৮৫১ পঠিত

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড.কামাল হোসেন মনে করেন করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অদক্ষতা রয়েছে। এ কারণে মৃত্যু বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ড. কামাল বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। গণফোরামের সাবেক কমিটির নির্বাহীর সভাপতি সুব্রত চৌধুরী গণফোরামের মুখপাত্র পরিচয়ে ড.কামাল হোসেনের এ বিবৃতিটি গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য পাঠান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘করোনা মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ধীরগতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতায় আমাদের অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। ৫০ হাজারের মতো মানুষ আক্রান্ত। অজানা আতঙ্কে আছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন আরও বাড়বে এবং ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে এমনটাই বিশেষজ্ঞগণ আশংকা করছেন। অর্থনৈতিক মন্দা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব কিন্তু মানুষের জীবন রক্ষা করাটাই এখন জরুরি।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘লকডাউন কার্যকর না করা, আইন প্রয়োগে শিথিলতা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দায়িত্বহীন বক্তব্য, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে ঢাকা থেকে গ্রামে যেতে দেওয়া আবার ঢাকায় ফিরিয়ে আনা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময়ক্ষেপণ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা, স্বাস্থ্যখাতে বিশৃঙ্খলা অব্যবস্থাপনা আমাদের জীবন ও জীবিকাকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।’

গণপরিবহন চালু করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই প্রবীন আইনজীবী রাজনীতিবিদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে সম্প্রতি যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই বাস, রেলপথ, লঞ্চসহ সকল পরিবহন চালু করা হলো কোন মহলের স্বার্থে? যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

ড. কামাল বলেন, সংক্রমণ ও মৃত্যু যখন বাড়ছে তখন সব চালু করা হলো। এর ফলাফল হবে ভয়াবহ তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরাই আশঙ্কা করছেন। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সকল দলমত নির্বিশেষে ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

কামাল হোসেনের নামে এ বিবৃতি পাঠানো বিষয়ে সুব্রত চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্যারই (ড. কামাল) এই বিবৃতি দিতে বলেছেন।’

Tag :
জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

করোনায় সরকারের সমন্বয়হীনতায় প্রাণ গেছে অনেকের : ড. কামাল

প্রকাশিত : ০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড.কামাল হোসেন মনে করেন করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অদক্ষতা রয়েছে। এ কারণে মৃত্যু বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ড. কামাল বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। গণফোরামের সাবেক কমিটির নির্বাহীর সভাপতি সুব্রত চৌধুরী গণফোরামের মুখপাত্র পরিচয়ে ড.কামাল হোসেনের এ বিবৃতিটি গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য পাঠান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘করোনা মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ধীরগতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতায় আমাদের অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। ৫০ হাজারের মতো মানুষ আক্রান্ত। অজানা আতঙ্কে আছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন আরও বাড়বে এবং ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে এমনটাই বিশেষজ্ঞগণ আশংকা করছেন। অর্থনৈতিক মন্দা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব কিন্তু মানুষের জীবন রক্ষা করাটাই এখন জরুরি।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘লকডাউন কার্যকর না করা, আইন প্রয়োগে শিথিলতা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দায়িত্বহীন বক্তব্য, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে ঢাকা থেকে গ্রামে যেতে দেওয়া আবার ঢাকায় ফিরিয়ে আনা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময়ক্ষেপণ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা, স্বাস্থ্যখাতে বিশৃঙ্খলা অব্যবস্থাপনা আমাদের জীবন ও জীবিকাকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।’

গণপরিবহন চালু করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই প্রবীন আইনজীবী রাজনীতিবিদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে সম্প্রতি যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই বাস, রেলপথ, লঞ্চসহ সকল পরিবহন চালু করা হলো কোন মহলের স্বার্থে? যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

ড. কামাল বলেন, সংক্রমণ ও মৃত্যু যখন বাড়ছে তখন সব চালু করা হলো। এর ফলাফল হবে ভয়াবহ তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরাই আশঙ্কা করছেন। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সকল দলমত নির্বিশেষে ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

কামাল হোসেনের নামে এ বিবৃতি পাঠানো বিষয়ে সুব্রত চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্যারই (ড. কামাল) এই বিবৃতি দিতে বলেছেন।’