ঢাকা , বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল কোম্পানির সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ। রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড

ট্রাম্পের পোস্ট ‘গোপন’ রাখল টুইটার

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০
  • ৯৭৯ পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার সহিংসতার প্রশংসা করে টুইটারে পোস্ট দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়ম ভঙ্গ করেছেন বলে দাবি করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি। কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে ঘিরে মিনিয়াপলিস শহরে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ওই টুইট করেন ট্রাম্প।

বিবিসি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের নিপীড়নে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনায় মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপোলিসে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা মিনিয়াপোলিসের একটি থানায় আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

এ ঘটনা নিয়ে টুইট করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টুইটে তিনি জানান, তিনি ‘জাতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের পাঠাবেন’ এবং ‘লুটপাট শুরু হওয়া মাত্রই যেন গুলি করা হয়’।

‘সহিংসতার প্রচারণা’র কথা উল্লেখ করে টুইটারের নিয়ম অনুযায়ী পোস্টটি ‘গোপন’ করা হয়। টুইটার বলছে, ট্রাম্পের বক্তব্য প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও জনস্বার্থ বিবেচনায় সেটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নীতিমালা ভঙ্গ করলে টুইট সরিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে ২০১৯ সাল থেকে সতর্কবার্তা যোগ করার নিয়ম চালু করে টুইটার।

গতকালই প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের পোস্টে শৃঙ্খলাভঙ্গের সতর্কবার্তা যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাজ্যের সেন্টার ফর দ্য অ্যানালাইসিস অব সোশ্যাল মিডিয়া’র কর্মকর্তা কার্ল মিলার বলেন, ‘এটি আমার দেখা টুইটার এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেওয়া সবচেয়ে সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে বাকস্বাধীনতা বনাম অনলাইন সহিংসতার মতো বিতর্কগুলো আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।’

টুইটার বলছে, ট্রাম্পের বক্তব্য প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও জনস্বার্থ বিবেচনায় সেটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

তবে, ফেসবুকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওই পোস্টটি এখনো আছে। তাতে কোনো সতর্কবার্তা যোগ করা হয়নি। নীতিমালা মেনে চলার জন্য গত বুধবার প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় টুইটার। ট্রাম্পের একটি টুইটে ‘সত্যতা যাচাই’ লিংক সংযুক্ত করা হয়।

ট্রাম্প কোনোরকম তথ্যপ্রমাণ না দিয়ে টুইটে জানান, ‘ডাকযোগে পাঠানো ব্যালটে যে ব্যাপক কারচুপি হবে, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

টুইটার এই পোস্টের সঙ্গে একটি লিংক যুক্ত করে দিয়ে জানায়, এই দাবি ‘ভিত্তিহীন’।

উত্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও টুইটে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বিশাল প্রতিষ্ঠানটি ‘বাকস্বাধীনতার ওপর কণ্ঠরোধ করছে’।

জনপ্রিয়

৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

ট্রাম্পের পোস্ট ‘গোপন’ রাখল টুইটার

প্রকাশিত : ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার সহিংসতার প্রশংসা করে টুইটারে পোস্ট দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়ম ভঙ্গ করেছেন বলে দাবি করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি। কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে ঘিরে মিনিয়াপলিস শহরে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ওই টুইট করেন ট্রাম্প।

বিবিসি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের নিপীড়নে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনায় মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপোলিসে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা মিনিয়াপোলিসের একটি থানায় আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

এ ঘটনা নিয়ে টুইট করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টুইটে তিনি জানান, তিনি ‘জাতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের পাঠাবেন’ এবং ‘লুটপাট শুরু হওয়া মাত্রই যেন গুলি করা হয়’।

‘সহিংসতার প্রচারণা’র কথা উল্লেখ করে টুইটারের নিয়ম অনুযায়ী পোস্টটি ‘গোপন’ করা হয়। টুইটার বলছে, ট্রাম্পের বক্তব্য প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও জনস্বার্থ বিবেচনায় সেটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নীতিমালা ভঙ্গ করলে টুইট সরিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে ২০১৯ সাল থেকে সতর্কবার্তা যোগ করার নিয়ম চালু করে টুইটার।

গতকালই প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের পোস্টে শৃঙ্খলাভঙ্গের সতর্কবার্তা যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাজ্যের সেন্টার ফর দ্য অ্যানালাইসিস অব সোশ্যাল মিডিয়া’র কর্মকর্তা কার্ল মিলার বলেন, ‘এটি আমার দেখা টুইটার এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেওয়া সবচেয়ে সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে বাকস্বাধীনতা বনাম অনলাইন সহিংসতার মতো বিতর্কগুলো আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।’

টুইটার বলছে, ট্রাম্পের বক্তব্য প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও জনস্বার্থ বিবেচনায় সেটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

তবে, ফেসবুকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওই পোস্টটি এখনো আছে। তাতে কোনো সতর্কবার্তা যোগ করা হয়নি। নীতিমালা মেনে চলার জন্য গত বুধবার প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় টুইটার। ট্রাম্পের একটি টুইটে ‘সত্যতা যাচাই’ লিংক সংযুক্ত করা হয়।

ট্রাম্প কোনোরকম তথ্যপ্রমাণ না দিয়ে টুইটে জানান, ‘ডাকযোগে পাঠানো ব্যালটে যে ব্যাপক কারচুপি হবে, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

টুইটার এই পোস্টের সঙ্গে একটি লিংক যুক্ত করে দিয়ে জানায়, এই দাবি ‘ভিত্তিহীন’।

উত্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও টুইটে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বিশাল প্রতিষ্ঠানটি ‘বাকস্বাধীনতার ওপর কণ্ঠরোধ করছে’।